চুল পড়া ও সুন্দর্য হীনতা

মাথার চুল হলো মানুষের বৈবাহিক সৌন্দর্যের একটি অংশ। শুধু তাই নয় চুল মাথার ত্বককে বাহিক্য বিভিন্ন ময়লা বা উপকরণ এর হাত থেকে রক্ষা করে। মস্তিষ্কের তাপমাত্রা ঠিক রাখার ব্যাপারে চুল এর ভূমিকা অনন্য।

চুল পরা হালকা থেকে সম্পূর্ণ টাক অবধি হতে পারে।অনেক কারণে চুল পড়তে পারে। বড় অসুখ থেকে সেরে ওঠার পর চুল পড়ে যেতে পারে। সার্জারির পরে,মায়েদের সন্তান প্রসব করার পরে কখনো কখনো এটা হতে পারে। অল্প অল্প চুল তো পরেই তবে টাক পরে যাওয়াটা স্বাভাবিক নয়। ওষুধের প্রতিক্রিয়াঃ-ওষুধের কারণে হঠাৎ করে চুল পড়ে যেতে পারে এবং সারা মাথার চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অসুখ হওয়ার কারণেঃ-শারীরিক অসুস্থতার কারণে চুল পড়তে পারে। যেমন থাইরয়েড হলে সেক্স হর্মনের ব্যালান্স নষ্ট হলে বা নিউট্রিশনের ওভাবে আইরন,জিঙ্ক বা টিনের অভাবে। যারা খাবার খুব মেপে বা বেচে খায় বা যে সকল মহিলাদের খুব বেশি রজঃস্রাব হয়।

মাথায় ফাংগাল ইনফেকশন হলেঃ-মাথার কোন অংশে টাক পড়ে যেতে পারে ফাংগাল ইনফেকশন হলে এই কারণেই অনেক সময় বাচ্চাদের কোন কোন অংশে চুল পড়ে যায়।

বংশগত টাক পড়ার কারণেঃ-ছেলেদের চুল পড়ার একটা ধরন আছে। প্রথমে মাথার সামনে তারপর মাথার মাঝখানে। এটা বেশির ভাগ পুরুষদের হয় এবং এটা অল্প বয়সে শুরু হতে পারে। তিনটি কারণে এটা ঘটতে পারে। যেমন বংশগত হর্মনের জন্য বা বয়স বাড়ার ফলে। মহিলাদের চুল পরা সামনে থেকে না হয়ে মাথার মাঝখান থেকে শুরু হয়।

উপসর্গঃ- প্রতিদিন ২০ থেকে ৫০ টা চুল পড়া স্বাভাবিক। এর থেকে বেশি পরলে চিন্তার বিষয়। পাতলা চুল হলে টাক দেখা যায় বেশি করে।

চুল পড়া নিবারণঃ- চুল পড়া কিছু মাত্রায় কমানো যায় ঠিকঠাক প্রয়োজনীয় মাত্রায় খাবার খেলে। চুলে ব্যবহার করা তেল,সাবান ঠিক করে বেছে নিতে পারলে চুল পড়া বন্ধ করা যায়। এছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চুল পড়া বন্ধ হয় এই ধরনের ওষুধ সেবন করলেও চুল পড়া বন্ধ করা যায়। এই সাথে ফাংগাল ইনফেকসান হলে চুল পরিষ্কার রাখতে হবে। কারো সাথে চিরুনি টুপি অদল বদল করা যাবে না। ইদানিং বংশগত চুল পড়া চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়।

টাক পড়ে গেলে বা মাথার কিছু কিছু অংশে চুল পড়ে গেলে সেটা এক ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের কারণে ঘটে থাকে বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন। এইক্ষেত্রে প্রতিদিন অন্তত তিনবার টাটকা পেঁয়াজের গোড়া সেই গোড়ার অংশটুকু আক্রান্ত স্থানে ঘষতে হবে। অর্থাৎ  গোড়ার এই রস চুল উঠার স্থানে ঘষতে হবে। আশা করা যায় এই প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি পেঁয়াজের গোড়া দিনে তিনবার হিসেবে ৩/৪ সপ্তাহ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

Check Also

পুরুষের গুণাগুণ বিচার

সর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর ,  বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় ।  …