ডায়াবেটিসের ঝুঁকি

গবেষকেরা দেখেছেন প্রতিদিন 10 হাজার পা হাটলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে হ্রাস পায় ডায়াবেটিসের ঝুঁকি। ৫৯২ জন মধ্য বয়সি অস্ট্রেলিয়ান পাঁচ বছর হাঁটাহাঁটি করে দিনে দশ হাজার পা হাঁটার অভ্যাস করলেন। তাদের বডি মাস ইনডেক্স কমল, তলপেটের মেদ কোমল উন্নত হল ইনসুলিনের প্রতি দেহকোষের সংবেদনশীলতা। একই সময় অন্য দল যারা তেমন হাঁটলেন না তাদের শরীরের তেমন উন্নতি হলো না।

ডায়াবেটিস এর বৈশিষ্ট্য হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্রেন্স। যে হরমোন ইনসুলিন শরীরকে এর রক্তের সুগার কে ব্যবহার করে শক্তিতে রূপান্তরিত করে, সেই ইনসুলিনের প্রতি দেহ কোষ আর তেমন সাড়া দেয় না। পরিপূরক হিসেবে অগ্নাশয় বেশি বেশি ইনসুলিন তৈরি করলে এবং একসময় মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়। ফলে বাড়তি গ্লুকোজ জমতে থাকে রক্ত গ্রহাতে। ডায়াবেটিস এর সূচনা ঘটে এভাবেই।

 

গবেষণা শুরুর আগে তাদের পুরো দৈহিক পরীক্ষা করা হয়। প্রতিদিন তারা কয় পা হাঁটলেন তা গনদের জন্য প্রত্যেককে স্পিডোমিটার পরতে বলা হয়। গবেষকেরা তাঁদের ফলোআপ করলেন পাঁচ বছর দেখলেন প্রতিদিন তারা কয় পা হাঁটেন, লক্ষ্য করলেন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ও। যারা দিনের দশ হাজার পা পর্যন্ত হাঁটতে অভ্যস্ত হলেন পাঁচ বছরে তাদের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়লো তিন গুণ, যারা দিনে মাত্র তিন হাজার পা হাঁটতে পারলেন, তাদের তুলনায়।

এর ভাবার্থ অনেক। প্রতিদিনের জীবনাচরণের শরীর চর্চার ঢুকানো বেশি ব্যায়াম করা এগুলোর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উপর। আর এই ব্যাপারটি যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য বড় সমস্যা। ডাক্তার গেবাল্ড বার্নস্টাইন বলেন দশ হাজার পদক্ষেপ মানে মাইল মাইল হাট। যখন ঐ হাঁটুন যত বারই হাঁটুন দুই মাইল হাঁটতে হবে এতে ভালো ফল পাওয়া যাবে। ব্যায়াম ভালো এবং চিকিৎসকেরা সব সময় বলেন রোগীদের ব্যায়াম করতে হবে বেশি বেশি। এই গবেষণায় বুঝা গেল পাঁচ বছরে একটা না ব্যায়াম বেশ সুফলফ্রদ। তাই পথ চলা হক স্বাস্থ্য হিতকরি ব্যায়াম।

 

Check Also

পুরুষের গুণাগুণ বিচার

সর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর , বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় । …