প্রাথমিক সৌন্দর্য চর্চা

সুন্দর কোন কিছুর ব্যাখ্যা দেবার সময় কবি বা লেখকেরা দুটো মাধ্যম ব্যবহার করেন তাদের একটি হল আমাদের চির পরিচিত প্রকৃতি আর অপরটি মেয়েদের সৌন্দর্য। কারণ সৃষ্টির শুরু থেকে মেয়েদের কে সৌন্দর্যের অনন্য আধার হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন সৃষ্টিকর্তা। এই সাথে অবশ্যই একটি কথা সকলকে স্বীকার করতেই হবে যৌবনের সকলেই সুন্দর। সেটা ছেলে হোক অথবা মেয়ে। তবে মেয়েদের শরীরে এমন কিছু বিষয় আছে যা তাকে সুন্দর হতে সহায়তা করে থাকে। এটা তার বাড়তি পাওনা। সুতরাং যুক্তির হিসাব মতে পৃথিবীর প্রতিটি মেয়েই সুন্দর। তবে এই সৌন্দর্যের প্রকৃত প্রকাশ হতে হবে যথাযথ। অর্থাৎ নিজের সৌন্দর্য কে সঠিক পদ্ধতিতে প্রকাশ করার মানসিকতাও থাকতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা সুন্দর হতে কে না চায়।

পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ সৌন্দর্য পছন্দ করে। শুধু নারী নয় পুরুষের মধ্যে এই সচেতনতা বোধ জাগ্রত হতে পারে। তবে পৃথিবীর তাবত সৌন্দর্যের তুলনায় মেয়েদের সৌন্দর্য্যের ভাব ভাষা বা ভঙ্গি একেবারেই আলাদা। আমি আগেই বলেছি যৌবনে সব মেয়েই সুন্দর। এই কারণে সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে কালো বা ফর্সা কোনটাই অন্তরায় হতে পারে না। সবচেয়ে বড় কথা কালো হলেই যে সে অসুন্দর হবে আর ফর্সা হলেই সুন্দর হবে তার কোনো বাধ্যবাধকতা গ্যারান্টি নেই।  কারণ বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় দেখা যায় নিগ্রো বংশদূত কালো মেয়েদের কোন অংশে পিছিয়ে নেই। সুতরাং সুন্দরী হওয়ার জন্য গায়ের চামড়া সাদা হওয়া টা খুব জরুরী কিছু নয়। তারচেয়েও বেশি প্রয়োজন নিজেকে সুন্দরী হিসেবে তুলে ধরা বা উপস্থাপন করা। এখানেই প্রকৃত সুন্দরী হবার সার্থকতা নিহিত। সৌন্দর্য তা সে যতই বেশি থাকুক না কেন—তার পরিপূর্ণ প্রকাশ না ঘটলে তা একেবারেই অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। আর এর সাথে প্রয়োগ ঘটে নিজের সৌন্দর্য বোধ।

Check Also

পুরুষের গুণাগুণ বিচার

সর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর ,  বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় ।  …