সুস্বাস্থ্য

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য অতিরিক্ত কিছুই করতে হবে না। জাস্ট নিচের কিছু নিয়ম ফলো করুন … দেখবেন আপনি প্রাণবন্ত প্রাণােচ্ছল হয়ে উঠবেন। একটু মনোযােগ দিয়ে পড়ুন … আমাদের সবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক্স।সবসময় সুপাচ্য সহজ খাবার গ্রহণ করবেন। অতিরিক্ত মশলা, তেল, ঝাল ও ভাজাপােড়া বর্জন করবেন। খাবারের ব্যাপারে তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   1. কী খাবেন?  2. কতটা খাবেন?  3. কখন খাবেন? 

কী খাবেন?

সবকিছু খাবেন।যা কিছু আপনার ধমবিশ্বাস ও আপনার রুচি অনুমােদন করে, তার সবই খালেন।মাছ গোশত আমিষ হিসেবেই খাওয়া যেতে পারে। তবে আমিষ সবসময়ই পরিমিত খাওয়া উচিত।ভিন্ন খাবার তালিকায় প্রতিদিন পরিমিত সাকসবজি  থাকা উচিত। বাঁধাকপি, ডাটা, পুইশাক সজনে ও আঁশ জাতিও সবজি বেসি থাকা উচিত ।সব ধরনের ডাল খাবেন।মৌসমী ফল সবসময় পর্যাপ্ত খাওয়া উচিত। একেক মৌসুমে যে ফল হয়, তা সে মৌসুমের রােগের। প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।আম, কাঁঠাল, কলা, কুল, পেয়ারা, আমড়া, আনারস, চালতা, জাম্বুরা।অর্থাৎ দেশীয় ফল প্রচুর পরিমাণে খাবেন।ফু বা ভাইরাস জুরের আক্রমণ শুরু হওয়ার। আগেই বাজারে আনারস চলে আসে। তখন পরিমিত আনারস খেলে ফু আক্রমণ করার সুযােগ পায় না। দেশে বলা হয় মোসমের ফলের মধ্যেই মৌসুমের রােগের দাওয়াই রয়েছে। যাদের ঠাণ্ডা লাগার পবনতা বেসি তারা শীত আসার একমাস আগে থেকে প্রতিদিন একটি মাঝারি সাইজের জাম্বুরার অর্ধেক খেলে ঠাণ্ডা সর্দি থেকে অনায়াসে রেহাই পেতে পারেন।

খাবারের ব্যাপারে বিশের সচেতন মানুষেরা এখন প্রাকতিক খাবারের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন।। পাশ্চাত্য স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এখন টিনজাত প্রক্রিয়াজাত ও পরিশােধিত খাবারের বদলে স্বাভাবিক প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও পুষ্টিবিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, প্রক্রিয়াজাত খাবার বিভিন্ন রােগ-ব্যাধি এমন কি ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ হচ্ছে। তাই ময়দার পরিবর্তে লাল আটা খাবেন।চিনির পরিবর্তে গুড় খাবেন, দুধ-চায়ের পরিবর্তে গুড় দিয়ে হালকা রং-চা খাবেন। টিনজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করবেন। ফলের রসের পরিবর্তে টাটকা ফল খাবেন। গুড়া দুধ পুরোপুরি বর্জন করবেন।গরুর খাঁটি দুধ প্রতিদিন এক গ্লাস করে খাবেন। হরলিক্স, ওভালটিন ইত্যাদি তথাকথিত পুষ্টিকর খাবার পুরোপুরি বর্জন করে নিয়মিত দুধ, কলা, ডিম খাবেন।

মিষ্টি একেবারেই খাবেন না। বিশেষত বঙিন মিষ্টি পরােপরি বর্জন করবেন। কারণ খাবারে যে রং ব্যবহার করা হয় তা ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ হতে পারে।তথা কথিত কোমল পানীয় পান করবেন না।এই কোমল পানীয় carbonated পানীয় এবং soda ও চিনিযুক্ত।এতে caffeine,চিনি,colour (caramel 150d) এবং flavoring থাকে।এটি প্রধানত দুই রকম হয় soda যুক্ত এবং কোলা জাতীয়।এতে 10 চা চামচের বেশি চিনি থাকে অতিরিক্ত চিনি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে insulin এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর বিশেষত ডায়াবেটিস রোগীর জন্য।অতিরিক্ত চিনি দেহের প্যাট হিসেবে জমে ওজন বাড়ায় স্থূলতা রোগের কারণ ঘটায়।তাছাড়া ইনসুলিন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

কতটা খাবেন?

সব সময় পরিমিত খাবার খাবেন বেশি খেলে আপনার রোগ-ব্যাধি বেশি হবে।এ ব্যাপারে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম এর একটি হাদিস আমরা অনুসরণ করতে পারি।তিনি বলেছেন:-তুমি তোমার পাকস্থলীর এক তৃতীয়াংশ খাবার ও এক তৃতীয়াংশ পানি দ্বারা পূরণ কর।আর বাকি এক তৃতিয়াংশ পাকা রাখো।দীর্ঘ নিরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এভাবে খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলির বেদি থেকে পুরোপুরি মুক্তি থাকা যায় এবং শরীরের ওজন সব সময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কখন খাবেন?

রাতের বেলায় বেশি খাবেন না কারণ রাতে ভুরিভোজন হার্ট অ্যাটাক এর মাধ্যমে হঠাৎ মৃত্যুর আদর্শ ব্যবস্থা।তাই রাতে ভুরিভোজন থেকে সব সময় দূরে থাকা উচিত।সুস্বাস্থ্য ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সকাল বেলা ভরপেট নাস্তা করুন দুপুরে তৃপ্তির সাথে খান এবং রাতে খুব হালকা খাবার গ্রহণ করুন।

 

Check Also

পুরুষের গুণাগুণ বিচার

সর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর ,  বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় ।  …