স্বাস্থ্য কথা

আজ নগরায়ণ ও দ্রুত বিকাশের কারণে শহুরে এলাকায় ভারী ট্রাফিক, বায়ু দূষণ, গোলমাল, বেনামী উচ্চ-বৃদ্ধি ব্লক এবং সহিংসতা রয়েছে। এই সব নেতিবাচকভাবে আমাদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য প্রভাবিত। জীবনের অন্য দিকের দিক থেকে স্বাস্থ্য সর্বাধিক অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। শহরে চাপ ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে কেবল শারীরিক নয় বরং মানসিক স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হচ্ছে। আমরা প্রায়ই আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য উপেক্ষিত কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্য হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উভয়ই বজায় রাখা এই দিনগুলির প্রধান উদ্বেগ।

মানসিক স্বাস্থ্য এবং শারীরিক স্বাস্থ্য সম্পর্কযুক্ত

মানসিক স্বাস্থ্য ভাল শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা যেমন মানসিক অসুস্থতা স্বাস্থ্যকর আচরণ অনুশীলন করার ক্ষমতা প্রভাবিত করে। এই শারীরিক স্বাস্থ্য প্রভাবিত করতে পারেন। এটি শারীরিক স্বাস্থ্যের সাথে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অবস্থার সমস্যা হতে পারে যা মানুষের জীবনের মানকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করে। গুরুতর মানসিক অবস্থার সাথে যারা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা উন্নয়নের ঝুঁকি বেশি। দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা যাদের মানসিক অসুস্থতা যেমন বিষণ্নতা এবং উদ্বেগ সম্মুখীন উচ্চ ঝুঁকি হয়।

স্বাস্থ্য শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক কল্যাণ সহ একটি ব্যক্তির সামগ্রিক কল্যাণ সম্পর্কিত। আমরা প্রায়ই শারীরিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ডাক্তারের কাছে যাই এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য পরীক্ষা করি। যাইহোক, আমরা মানসিক স্বাস্থ্য উপেক্ষা করি এবং কদাচিৎ মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারকে যাই তবে এটি সমান গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য আন্তঃ-সংযুক্ত এবং একে অপরকে প্রভাবিত করে।

শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের অবহেলা একজন ব্যক্তির সামগ্রিক কল্যাণে বিপরীতভাবে প্রভাবিত করতে পারে। সুতরাং, ভাল মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য সুস্থ জীবনধারা মানিয়ে নেওয়া অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ জীবনধারার মূল দিকগুলির মধ্যে একটি ভাল সুষম খাদ্য খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রচুর পানি পান করা, সঠিক বিশ্রাম নেওয়া, জীবন প্রতি ইতিবাচক মনোভাব থাকা, সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং সর্বদা সুখী এবং আনন্দদায়ক হওয়া অন্তর্ভুক্ত।

সৌন্দর্য কথা

সুন্দর হতে কে না চায়।পৃথিবীর প্রতিটি মানুষে সৌন্দর্য পছন্দ করে।অনেকে আছেন নিজেকে একটু সুন্দর করে সাজাতে পারলেই ভাবেন তিনি সুন্দরী হয়ে গেছেন।আসলে সাজগোজ সুন্দর্য পরিস্ফুটনের একটা অন্যতম হাতিয়ার বা মাধ্যম।তবে ন্যাচারাল বিউটি বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোন তুলনা হয় না।আপনার হাঁটা,বসা,দাঁড়ানো, কথা বলা,হাসা এসব হলো সৌন্দর্যের পরিস্ফুটনের এক একটি মাধ্যম।

সুন্দর কোন কিছু ব্যাখ্যা দেবার সময় কবি বা লেখকেরা দুটো মাধ্যম ব্যবহার করেন।তাদের একটি হলো আমাদের চিরপরিচিত প্রাকৃতিক আর অপরটি মেয়েদের সৌন্দর্য।কারণ সৃষ্টির শুরু থেকে মেয়েদেরকে সৌন্দর্যের অনন্য আধার হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন সৃষ্টিকর্তার।এই সাথে অবশ্যই একটি কথা সকলকে স্বীকার করতেই হবে যৌবনে সকলেই সুন্দর।সেটার ছেলে হোক অথবা মেয়ে।আসলে এটা হচ্ছে মহান সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তাআলার কৃপা।

তবে মেয়েদের শরীরে এমন কিছু বিষয় আছে যা তাকে সুন্দর হতে সহায়তা করে।এটা তার বাড়তি পাওনা।সুতরাং যুক্তির হিসাব মতে পৃথিবীর প্রতিটি মেয়েই সুন্দর।তবে এই সৌন্দর্যের প্রকৃত প্রকাশ হতে হবে যথাযথ।যৌবনে সব মেয়েই সুন্দর।এই কারণে সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে কালো বা ফর্সা কোনটাই অন্তরায় হতে পারে না।সবচেয়ে বড় কথা কালো হলেই যে সে অসুন্দর হবে আর ফর্সা হলেই সুন্দর হবে তার কোনো বাধ্যবাধকতা গ্যারান্টি নেই।কারণ বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় দেখা যায় নিগ্রো বংশদুত কালো মেয়েরা ও কোন অংশে পিছিয়ে নেই।সুতরাং সুন্দরী হবার জন্য গায়ের চামড়া সাদা হওয়া টা খুব জরুরী কিছু নয়।তারচেয়েও বেশি প্রয়োজন নিজেকে সুন্দরী হিসেবে তুলে ধরা বা উপস্থাপন করা।এখানেই প্রকৃত সুন্দরী হবার সার্থকতা নিহিত।সৌন্দর্য তা সে যতই বেশি থাকুক না কেন-তার পরিপূর্ণ প্রকাশ না ঘটলে তা একেবারে অসম্পূর্ণ রয়ে যায়।আর এর সাথে প্রয়োগ ঘটে নিজের সৌন্দর্যবোধ।

আমাদের এই ওয়েবসাইটে সৌন্দর্য ও রূপ চর্চার পাশাপাশি নিজের শরীরটাকে আরো সুন্দর করার জন্য পরিমিত মাত্রায় কিছু যোগ ব্যায়ামের আসন নিয়ে পোস্ট করা হবে পাশাপাশি এই ব্যায়ামগুলো করার মাধ্যমে শরীরের কোন অংশে কি ধরনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে-সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে ওয়েবসাইটটিতে পোস্ট করা হবে।আশা করছি এই ওয়েবসাইট টি সৌন্দর্য পিপাসু সকল রমণীর হৃদয় জয় করতে সক্ষম হবে।